টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অনুষ্ঠিত ১৪তম সাহিত্য আড্ডায় খ্যাতিমান কবি ও প্রাবন্ধিক লিমা রহমানের নতুন কাব্যগ্রন্থ 'কে রুখে দেয় দখিনের রোদ'-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। প্রেম, সমাজ ও রাজনৈতিক দর্শনের এক অনন্য সংমিশ্রণে রচিত এই গ্রন্থটি নিয়ে স্থানীয় পাঠক ও সাহিত্যিকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ও বক্তব্য:
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও সাহিত্যিক শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলামিস্ট ও সংগঠক জহুরুল হক বুলবুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্য: জহুরুল হক বুলবুল বলেন, "শিল্প-সাহিত্য চর্চা মানুষের চেতনাকে শাণিত করে। পৃথিবীর বড় বড় পরিবর্তনের মূলে রয়েছে মানুষের মননশীলতার পরিবর্তন।"
কবির অনুভূতি: নিজের নতুন বই সম্পর্কে কবি লিমা রহমান বলেন, "এই কাব্যগ্রন্থে আমি সমাজ ও রাজনৈতিক দর্শনের চিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। বইটি পাঠকমহলে সাড়া জাগাবে বলে আমি আশাবাদী।"
আলোচকের দৃষ্টিতে: শিশুসাহিত্যিক ও কবি কাশীনাথ মজুমদার পিংকু গ্রন্থটির প্রশংসা করে বলেন, "কবিতাগুলো বর্তমান সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন। তবে মুদ্রণজনিত ত্রুটি এড়াতে প্রকাশনী সংস্থা 'ছায়াবীথি'কে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।"
অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাবন্ধিক ড. আলী রেজা।
এছাড়াও ১৪তম সাহিত্য আড্ডায় কবি খায়রুজ্জামান ভূঁইয়া, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক মামুন তরফদার, এম এ বাছেদ, এম কে হাতেম, চাঁদ মাহমুদ, নজরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন খান, আঞ্জু আনোয়ারা ময়না, আব্দুস সাত্তার খানসহ আরও অনেক কবি, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি ও আবৃত্তিশিল্পী হারুন অর রশিদ।
এক নজরে কবি ও কাব্যগ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ: কে রুখে দেয় দখিনের রোদ।
প্রকাশনী: ছায়াবীথি।
কবির স্বকীয়তা: ছন্দ, উপমা ও রূপকের মাধ্যমে সমাজ ও প্রেমের নিপুণ বর্ণনা।
পাঠক শ্রেণি: কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে সকল শ্রেণির পাঠক।
রাসেল খান