দেশীয়
চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও প্রযোজক অপু বিশ্বাস আবারও নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে
আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অতীত জীবনের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে অকপট
কথা বলেছেন এই নায়িকা। অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, তার জীবনের অন্যতম একটি ভুল সিদ্ধান্ত
ছিল খুব অল্প বয়সে বিয়ে করা। আবেগতাড়িত হয়ে নেওয়া সেই সিদ্ধান্তের জন্য তাকে অনেক চড়া
মূল্য দিতে হয়েছে। নিজের জীবনের তেতো অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বর্তমান প্রজন্মের মেয়েদের
পরামর্শ দিয়ে বলেন, মানসিক পরিপক্বতা বা ম্যাচিউরিটি না আসা পর্যন্ত কোনো মেয়েরই বিয়ের
মতো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
ভবিষ্যতে
নতুন করে সংসার শুরু করার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—
এমন
প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস কিছুটা রহস্য বজায় রেখেছেন। তিনি জানান, এই মুহূর্তে এমন
কোনো ব্যক্তিগত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো মানসিক অবস্থায় তিনি নেই। আপাতত নিজের কাজ
এবং সন্তান নিয়েই তার ব্যস্ততা। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নানা চড়াই-উতরাই
পার করা এই অভিনেত্রী এখন নিজের জীবনকে নতুনভাবে সাজাতে চান।
বর্তমানে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে হওয়া নানা ট্রল ও সমালোচনা প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন
অপু। তিনি জানান, এসব নেতিবাচক বিষয় নিয়ে তিনি মোটেও বিচলিত নন। সাধারণ মানুষের মন্তব্য
বা সমালোচনাকে তিনি এখন আর গুরুত্ব দেন না। বরং অধিকাংশ সময় এগুলো এড়িয়ে চলেন এবং মাঝে
মাঝে নেটিজেনদের এসব কাণ্ড বেশ উপভোগও করেন। মানসিকভাবে শক্ত থেকে নিজের কাজে মনোযোগ
দেওয়াই এখন তার মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য,
২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন
অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ নয় বছর ধরে তাদের বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৭
সালের ১০ এপ্রিল একটি টেলিভিশন লাইভ অনুষ্ঠানে এসে সন্তানসহ উপস্থিত হয়ে বিয়ের কথা
প্রকাশ করেন অপু, যা তখন দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এর কিছুদিন পর ২০১৮ সালের
১২ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বর্তমানে এই তারকা দম্পতির একটি পুত্রসন্তান
রয়েছে, যার দেখাশোনা অপু বিশ্বাস নিজেই করছেন।
বিনোদন ডেস্ক